Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সাধারণ তথ্য

৪।

প্রসত্মাবিত প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও যৌক্তিকতা

প্রধান উদ্দেশ্যঃ

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সংশিস্নষ্ট উপজেলায় নতুন কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, ফসল রক্ষায় প্রযুক্তি গ্রহন ও সঠিক বাসত্মবায়ণ করে উৎপাদন বৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা অব্যাহত রাখা।

সাধারণ উদ্দেশ্যঃ

·         কৃষকদেরকে কৃষি নতুন নতুন প্রযুক্তি, ফসলের জাত, সমন্বিত কৃষি, শস্য বহুমুখীকরণ ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধকরণ।

·         সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি গ্রহন ও কীটনাশকের ব্যবহার নিরম্নৎশাহিত করে  সার্বিক ভাবে মোট উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

·         পোকা-মাকড় আক্রমন প্রবন এলাকায় জনগনের মধ্যে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্ত্ততি ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা ।

         গ্রাম ভিত্তিক প্রগতিশীল কৃষক অর্থাৎ ‘‘কৃষি উদ্যোক্তা’’তৈরি করা।

·         কৃষক সচেতনতা বৃদ্ধি করে নিরাপদ কৃষি ভীত তৈরি।

·         উপকারী পোকা মাকড় সংরক্ষণ করে ক্ষতিকর পোকা মাকড় নিয়ন্ত্রনে রাখা।

·         জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে কৃষি ফসল রক্ষায় কৃষক, সম্প্রসারণ কর্মী ও বিভিন্ন পর্যায়ের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

 

 

পটভুমি ও যৌক্তিকতাঃ

ভাঙ্গুড়া  উপজেলা চলনবিল অধ্যুষিত কৃষিতে সমৃদ্ধ একটি কৃষি প্রধান এলাকা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষিতে যেমন প্রভাব পড়ছে পাশাপাশি নতুন নতুন কিছু সমস্যার আর্বিভাব হচ্ছে। ফসলকে এ সকল আক্রমনের হাত হতে রক্ষার জন্য এলাকার কৃষক, সম্প্রসারণ কর্মী সহ সকল জনসাধারণকে হিমসিম খেতে হচ্ছে। উদ্ভুত পরিস্থিতে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা ক্রমাগত অধিকতর ঝুকিপূর্ণ ও ভঙ্গুর হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাকে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে ঝুকি কমিয়ে আনা এখন বড় চালেঞ্জ। শস্য বহুমুখীকরণ না করা, নির্বিচারে কীটনাশক ব্যবহার এবং নতুন নতুন শস্যের জাত সম্পর্কে কৃষকদের অসচেতনা ও উদাসিনতার কারণে কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

 

ভাঙ্গুড়া  উপজেলারপ্রায় ৮০% মানুষ কৃষি নির্ভর। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ফসলে রোগ ও পোকা মাকড় আক্রমন দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মাটি তার জীবনী শক্তি হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু  ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদা বৃদ্ধির কারণে আগামীতে উপজেলায় খাদ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য জলবায়ু পরিবর্তনের কারেণে এই সমস্যাটি আরো তীব্র হয়ে উঠছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজিত কৃষি ব্যবস্থার উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ, ব্যবহার ও প্রশিক্ষক্ষত কৃষকই হতে পারে সম্ভাব্য ঝুকি হ্রাসের হাতিয়ার।

 

জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে কিন্তু সেই সাথে পরিবর্তন হচ্ছে না আমাদের কৃষি ব্যবস্থা। ফলে কৃষকদের চাষাবাদে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রসত্মাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের  জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি পরিবর্তনের সাথে অভিযোজিত চাষ ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য ও নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি সম্প্রসারণে বিপিএইচ সহনশীল ও স্বল্পজীবনকাল সম্পন্ন ধান যেমন, ব্রিধান -২৮, ব্রিধান -৩৩, ব্রিধান -৩৯, ব্রিধান -৪১, ব্রিধান -৪৫, জলাবদ্ধতা সহনশীল জাত, খরা সহিঞ্চু জাত, নতুন উদ্ভাবিত জিংক সমৃদ্ধ জাত ব্রি ধান ৬২, ৬৪, সরিষার কাটুই পোকা দমনে সহনশীল জাতের চাষ, সেক্র্ ফেরোমন ফাদ ব্যবহার, খামার জাত সার তৈরি বৃদ্ধিকরণ, সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য ফসল গম, ভুট্টা, কাউন, চিনা, তিল , তিসি, মরিচ, মিষ্টি কুমড়া এর নতুন জাত চাষ করে ফলাফল প্রদর্শনীর মাধ্যমে সফলতা অর্জন করে প্রযুক্তি মাঠে সম্প্রসারণ করা হবে।

 

প্রকল্প এলাকায় দলীয় আলোচনার মাধ্যমে জনগনকে সচেতন করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন সচেতনতামুলক শিক্ষা উপকরণ, যেমন লিফলেট, বুকলেট, আধুনিক ও বিকল্প চাষ সহায়িকা ইত্যাদি বিতরণের মাধ্যমে পরিবর্তিত জলবায়ুতে কৃষি, বন্যা, খরা ইত্যাদি বিষয়ের তথ্য  জনগণের নিকট পৌছে দেওয়া হবে এবং একই সাথে সচেতনতা সৃষ্টি করা হবে, যা দীর্ঘস্থায় ভাবে কাজে লাগবে।

প্রকল্পটি পরবর্তিতে টিকে থাকার যৌক্তিকতাঃ

প্রকল্পের বাসত্মবায়ন কাল সমাপ্তির পর এর কার্যক্রম অব্যহত থাকবে। কারণ এ প্রকল্পের কর্মসুচিতে শুরম্ন থেকে শেষ পর্যমত্ম এলাকাবাসিদের সরাসরি সম্পৃক্ততা , স্থানীয় সরকার এবং এর সাথে সংশিস্নষ্ঠ  সরকারী ও বেসরকারী কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহন থাকবে। স্থানীয় জনগনকে প্রত্যক্ষ অংশ গ্রহনে প্রকল্পটি পরিচালিত হবে এবং বিকল্প কৃষি ব্যবস্থার অনুসরনে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। যেহেতু এর সুফলভোগীরা স্থানীয় জনগন, তাই তারা নিজ স্বার্থেই কার্যক্রমটি টিকিয়ে রাখবে।

 

প্রসত্মাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রত্যেক গ্রামের প্রগতিশীল কৃষকদেরকে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি পরিবর্তনের সাথে অভিযোজিত চাষ ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হবে। কৃষকরা তাদের লব্দ জ্ঞান অন্যান্য কৃষকদের মাঝে বিনিময় করবে এবং কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধান প্রদানে অগ্রনী ভুমিকা পালন করবে।

 

 

কীটনাশকের ঝুকিতে আছে আমাদের কৃষি ব্যবস্থা। সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা ছাড়া এই ঝুকি থেকে বের হয়ে আসা প্রায় অসম্ভব। নিরাপদ কৃষির তরে কৃষক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করেই কেবল এই অভিশাপ থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব। সুযোগ হলে অধিকতর প্রশিক্ষনের জন্য বিদেশে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহন করা যাহা অনেক-কেই কৃষিকে পেশা হিসেবে গ্রহনে উৎসাহিত করবে।

 

 

 

প্রকল্প এলাকা

 

ভাঙ্গুড়া উপজেলার সকল গ্রাম

 

 

(ক) প্রকল্পের ধারনাগত কাঠামো

 

ক) বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে আকস্মিক ও দীর্ঘস্থায়ী বন্যা, খরার জন্য অঞ্চলের মানুষ আজ চরম বিপন্ন এবং এই প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষি উন্নয়নে কৃষক পর্যায়ে লাগসই ও পরিবেশ বান্ধব কৃষিজ প্রযুক্তি সম্প্রসারণে দেশের বৃহত্তর ও দক্ষ সরকারী প্রতিষ্টান। বিভিন্ন মৌসুমে শস্য চাষ বাড়ানোর জন্য সহনশীল ফসলের জাত মাঠে সম্প্রসারণ করে কৃষকদের উক্ত ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা এবং কৃষকদের দক্ষ করে তোলার উদ্দেশ্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উক্ত প্রকল্পের প্রসত্মাব করেছে। 

 

 

 

প্রকল্প চলাকালীন সময়ে প্রগতিশীল কৃষকদেরকে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি পরিবর্তনের সাথে অভিযোজিত চাষ ব্যবস্থা সম্পর্কে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। উপজেলা পরিষদের বিষয় সংশিস্নষ্ট বিশেষজ্ঞ (চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান/মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান/ইউএনও/ইউএও/এইও) প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া বিষয় সংশিস্নষ্ট বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হবে। উপ-পরিচালক, ডিএই, পাবনা প্রকল্পটির মনিটরিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

 

 

প্রসত্মাবিত প্রকল্পের আওতায় গৃহীতব্যকার্যক্রম সমুহ (Activities) এবং কার্যক্রমসমুহের সম্ভাব্য ফলাফল (output) প্রভাব (outcome)

 

কার্যক্রম  (Activities)

ফলাফল (output) প্রভাব (outcome)

১.প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও অভিযোজন

·          নতুন জাতের সম্প্রসারণ।

·         স্থানীয় আবহাওয়ার সাথে খাপ খাওয়ানো প্রচলিত / অপ্রচলিত ফসলের আবাদ বৃদ্ধি করা ।

·         সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনা

·         শাকসবজি চাষাবাদ।

·         জৈব সার তৈরী।

·         ভেষজ বাগান সৃজন (বনায়ন)।

·         বৃক্ষরোপন (বনায়ন)

ফসল উৎপাদন ঝুকি হ্রা্স পাবে। ফসলের হেক্টর প্রতি উৎপাদন ৫-১০% বৃদ্ধি পাবে। শস্যের নিবিরতা বৃদ্ধি পাবে। পুষ্টি চাহিদা পূরণে শাকসবজি ও ফল মুলের আবাদ অব্যহত থাকবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ফসলের বীজ ও চারা কলম প্রাপ্তির নিশ্চয়া পাওয়া যাবে। সমন্বিত উন্নত আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে কীটনাশকের ব্যবহারে কৃষকদেরকে নিরম্নৎসাহিত করা হবে। জৈব সার ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে মাটির স্বাস্থ্যের উন্নয়ন হবে।

২. সচেতনতামূলক কার্যক্রম

- প্রকল্প বাসত্মবায়ন কালে ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম গ্রহন করা হবে। যেমন প্রামান্য চিত্র প্রর্দশনী, লিফলেট, বুকলেট পোষ্টার তৈরী ও বিতরণের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

- বাড়ীর আঙ্গিনায় সব্জিচাষে কৃষকরা আগ্রহী হবে এবং কীটনাশক মুক্ত সব্জি চাষে কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

    

 

৮।  কর্মসূচী ব্যবস্থাপনাঃ

     কর্মসূচী সূষ্ঠুভাবে বাসত্মবায়নের জন্য কর্মসূচী পরিচালক এর সভাপতিত্বে নিমেণাক্তভাবে একটি কর্মসূচী স্টিয়ারিং কমিটি থাকবে।

   

নং

পদবী

প্রতিষ্ঠানের নাম

কমিটিতে অবস্থান

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

উপজেলা প্রশাসন, ভাঙ্গুড়া, পাবনা

সভাপতি

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান

উপজেলা পরিষদ, ভাঙ্গুড়া, পাবনা

সদস্য

উপজেলা কৃষি অফিসার

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ভাঙ্গুড়া, পাবনা

সদস্য সচিব

 

 কর্মসূচী স্টিয়ারিং কমিটির দায়িত্বঃ

    কর্মসূচীর কার্যক্রমের মনিটরিং ও অনুমোদন।

    কর্মসূচীর সার্বিক বাসত্মবায়নে পরামর্শ প্রদান ও সমন্বয় সাধন।

    কর্মসূচীর আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক সময়ে কর্ম সম্পাদনে উদ্ভুত সমস্যা সমাধানের দিক নির্দেশনা প্রদান।

    কমিটির সভা কমপক্ষক্ষ একবার অনুষ্ঠিত হবে।

 

৯। আইটেমওয়ারী আর্থিক (Financial) ও ভৌত( Physical) লক্ষ্যমাত্রা - সংযোজনী -৪ এ প্রদর্শিত ছকে বিবরণ প্রদান করা হলো।

 

১০। প্রসত্মাবিত প্রকল্প বাসত্মবায়নের ফলেঃ

(ক) দারিদ্র বিমোচনের প্রভাব

এই প্রকল্পটি গ্রহনের ফলে এলাকার জনগন পরিবর্তিত জলবায়ুতে কৃষি, বন্যা, খরা ও অতিবৃষ্টি সহনশীল জাত চাষাবাদকৌশল , মোকাবেলায় কি কি করনীয় সে সম্পর্কে জানতে পারবে এবং প্রযুক্তি গ্রহন করে এই সব ফসল চাষাবাদ করে তারা তাদের ফসলের উৎপাদন বাড়াতে পারবে তথা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন হবে।

(খ) মাটির স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও নিরাপদ কৃষি

এই প্রকল্প গ্রহনের ফলে জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধি তথা খামারজাত সার তৈরি, কম্পোষ্ট তৈরি ও ব্যবহার সম্পর্কে কৃষক জানতে পারবে। ফলে প্রকল্পভুক্ত এলাকার মাটির স্বাস্থ্যের উন্নয়ন তথা জৈব পদার্থের পরিমান বৃদ্ধি পাবে।

 

১১। প্রসত্মাবিত প্রকল্প সমাপ্তির পর প্রকল্পে গৃহিত কার্যক্রমকে টেকসই করার জন্য গৃহিত ব্যবস্থা ঃ

 

 জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দিন দিন বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে ভাঙ্গুড়া উপজেলায় বন্যার ও খরার প্রবনতা বেড়ে যাচ্ছে এবং এর কারণে ফসল উৎপাদন  ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। এ সমস্যা দুরীকরণসহ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এ প্রকল্পের কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষক অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান ও টেকসই হবে। তাছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগন পরিবর্তিত জলবায়ুতে কৃষি, বন্যা, খরা ও অতিবৃষ্টি সহনশীল জাতের চাষ পদ্ধতি ও মোকাবেলা করার কলাকৌশল সম্প্রসারণ করবেন এবং এই কার্যক্রমকে টেকসই করেন সেই ব্যাপারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনী নির্দেশনা প্রদান করা হবে। প্রগতিশীল কৃষক পরবর্তীতে অন্যান্য কৃষকদের পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে যাতে কৃষিতে ভুমিকা রাখতে পারে, সেজন্য তাদের সাথে উপ সহকারী কৃষি অফিসারদের সার্বক্ষনিক যোগাযোগের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বছর

বছরের মোট ব্যয়

মোট প্রকল্প ব্যয়ের শতকরা হার

মমত্মব্য

২০১৪ - ২০১৫

১৫৩২২৫/-

১০.২৫%

 

২০১৫ - ২০১৬

২৯২০৫০/-

১৯.৫৩%

 

২০১৬ - ২০১৭

৩২৮৭০০/-

২১.৯৮%

 

২০১৭ - ২০১৮

৩৪৫৮৫০/-

২৩.১৩%

 

২০১৮ - ২০১৯

৩৭৫৭০০/-

২৫.১৩%

 

মোট

১৪৯৫৫২৫/-

১০০%